Home খবর বিদেশ থেকে আশা সমস্ত ফোন বন্ধ করে দেবে সরকার, যদি নিবন্ধন না করেন তাহলে দেখুন

বিদেশ থেকে আশা সমস্ত ফোন বন্ধ করে দেবে সরকার, যদি নিবন্ধন না করেন তাহলে দেখুন

1 second read
0
0
114

বিটিআরসি সূত্র জানিয়েছে, এনইআরআই চালু হলেও মানুষ বিদেশ থেকে আসার সময় মুঠোফোন নিয়ে আসতে পারবেন। তবে সেটার নিবন্ধন নিতে হবে। নিবন্ধনের জন্য ব্যবস্থা রাখবে বিটিআরসি। পাশাপাশি কয়টি মুঠোফোন আনা যাবে, বছরের কয় বার আনা যাবে, এসব ক্ষেত্রে সীমা নির্ধারিত থাকবে।

এনইআইআর চালু হলে অবৈধভাবে আনা মুঠোফোন নেটওয়ার্কে চালু করা যাবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সিনেসিস আইটির মহাব্যবস্থাপক (আইটি অপারেশন) আমিনুল বারী বলেন, ‘আমরা বিটিআরসির নোটিফিকেশন অ্যাওয়ার্ড অনুযায়ী কাজ করছি।’

বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) মতে, দেশের মুঠোফোনের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ অবৈধ পথে আমদানী হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য হতে পারে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে স্মার্টফোন আমদানির উপর সরকার মোট করভার ৩২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫৭ শতাংশ নির্ধারণ করে।

এতে বৈধ আমদানিতে খরচ আরও বেড়েছে। অবশ্য দেশে পাঁচ থেকে ছয়টি প্রতিষ্ঠান মুঠোফোন সংযোজন ও উৎপাদন করছে। দেশে যেসব ব্রান্ড মুঠোফোনের কারখানা করেছে, তাদের সঙ্গে প্রতিযোগী ব্র্যান্ডগুলো পেরে উঠছে না। দেশজুড়ে বহু দোকানে নির্ধারিত পরিবেশকের বাইরে তুলনামূলক কম দামে স্মার্টফোন বিক্রি হয়। বিভিন্ন সময় এসব ফোন বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে।

বিটিআরসির কর্মকর্তারা বলছেন, ২০১৯ সালের আগস্টের আগে কেনা নেটওয়ার্কে সচল থাকা মুঠোফোন বন্ধ করা হবে না। আগস্টের পরে কেনা অবৈধ ফোনের বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। এ ক্ষেত্রে নিবন্ধনের একটা সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

এনইআইআর চালু নিয়ে গত ৯ জুলাই বিটিআরসির এক বৈঠকের কার্যবিবরণীতে দেখা যায়, অপারেটরেরা সচল থাকা অবৈধ মুঠোফোনগুলো চালু রাখার বিষয়টি তুলেছিল। পরে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, এনইআইআর চালু পর এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে এবং নির্দেশনা জারি করা হবে।

আপনার ফোনটি কী বন্ধ হবেঃ বিটিআরসি ও মোবাইল অপারেটর সূত্র জানিয়েছে, দেশের নেটওয়ার্কে এখন প্রচুর মুঠোফোন রয়েছে, যেগুলো নকল। আবার অবৈধভাবে দেশে আনা ফোনও রয়েছে। আপনি যে ফোনটি ব্যবহার করেন, সেটি হতে পারে বিদেশ থেকে আত্মীয়ের মাধ্যমে আনা।

অবশ্য ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে মুঠোফোন বৈধভাবে আমদানি করা বা দেশে উৎপাদিত কি না, তা যাচাইয়ে তথ্যভান্ডার চালু করা হয়েছিল। খুদে বার্তা পাঠিয়ে গ্রাহকদের বৈধ বা অবৈধ মুঠোফোন চিহ্নিত করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ মোবাইল আমদানিকারক সমিতির (বিএমপিআইএ) সহায়তায় বিটিআরসি এই তথ্যভান্ডার তৈরি করে। এরপর বিটিআরসি বিভিন্ন সময় বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলেছে, মোবাইল ফোন কেনার সময় তা বৈধভাবে আমদানি করা কিনা তা যাচাই করতে হবে।

মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাইয়ের পদ্ধতি হল মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD স্পেস ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখে 16002 নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি মেসেজ বা খুদে বার্তায় বৈধ না অবৈধ, তা জানা যাবে। মোবাইল ফোনের মোড়কে স্টিকারে আইএমইআই নম্বরটি থাকে। এর বাইরে *#06# ডায়াল করে আইএমইআই নম্বর জানা যায়।

প্রশ্ন হলো, আগস্টের পরে অবৈধভাবে আমদানি করা ফোন বিটিআরসি বন্ধ করতে পারবে কিনা। কারণ এ সময়ে বিদেশ থেকে হাতে করে নিয়ে আসা ও স্বজনদের জন্য প্রবাসীদের পাঠানো ফোন নিবন্ধনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না।

Load More Related Articles
Load More By admin
Load More In খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

টি স্পোর্টস লাইভ .! বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ! লাইভ খেলা দেখুন

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমরা অনেকেই আছি যারা মোবাইলে সরাসর…