Home উদ্যোক্তা খিলি পান বিক্রি করে মাসে আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা!

খিলি পান বিক্রি করে মাসে আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা!

2 second read
0
0
548

তবে যখন কোনো প্রয়োজনে এদিকে আসি তখন ইদ্রিসের এ মিষ্টি পান খেতে আমি ভুল করি না। ৫ টাকা করের দুইটা পান কিনেছি খাওয়ার জন্য। অপর ক্রেতা স্থানীয় সিরাজুল ইসলাম। তিনি জানান, এ দোকানে সব সময় ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। শনিবার দুপুরে পাটকেলঘাটা বাজার এলাকা যখন প্রায় জনশূন্য তখনও দেখা যায় ইদ্রিসের পানের দোকানে অনেক ভিড়। পুরোদমে চলতে তার পান বিক্রি।

তিনি বলেন, প্রতিদিন ১৫-১৬ হাজার টাকার পান বেচাকেনা হয়। ১০ বছর ধরে পান বিক্রি করছি। এর বাইরে অন্যকিছু করি না। আগে বাবা নজরুল ইসলাম দোকানটি চালাতেন। এখন আমি চালাই। প্রতি মাসে এখান থেকেই ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে। এ দিয়ে খুব ভালোভাবে আমার সংসার চলে। পান বিক্রি করে কিছু অর্থ সম্পদও কিনেছি। আমার কোনো অভাব নেই। অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো আছি আমি।
একেকটি খিলি পান বিক্রি হয় ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। একই স্থানে দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ খিলি পানের ব্যবসা করছেন সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা বাজারের পরিচিত মুখ পান বিক্রেতা ইদ্রিস আলী। এতে একদিকে যেমন তিনি স্বাবলম্বী হয়েছেন অন্যদিকে পান বিক্রি করে তার ভাগ্যবদল হয়েছে। প্রতি মাসে এখান থেকেই ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে তার।

ইদ্রিস আলীর পানের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, তিনি হরেক রকম জর্দ্দা ও মসলা দিয়ে বিভিন্ন স্বাদের পান তৈরি করেন। বাহারি এ পান খেতে দূরদূরান্ত থেকে লোক আসে ইদ্রিস আলীর দোকানে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পান বিক্রি করেই স্বাবলম্বী হয়েছেন ইদ্রিস আলী। সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা বাজারে সকলের পরিচিত মুখ ইদ্রিস।

শুধু পাটকেলঘাটা নয় বিভিন্ন এলাকার মানুষরা সখের বসে পান খেতে আসেন বাজারের পাঁচরাস্তা মোড়ের এ দোকানে। ইদ্রিস আলী প্রতিটি মিষ্টি পানের মূল্য ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত নেন। মিষ্টি পান ক্রেতা সাতক্ষীরা সদরের কদমতলা এলাকার সাদিকুর রহমান বলেন, আমি সাধারণত পান খাই না।

Load More Related Articles
Load More By admin
Load More In উদ্যোক্তা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

টি স্পোর্টস লাইভ .! বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ! লাইভ খেলা দেখুন

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমরা অনেকেই আছি যারা মোবাইলে সরাসর…